বঙ্গের পুণ্যভূমির ঐতিহ্য- প্রকৃত শিক্ষা
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যত প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তোলার পিছনে অভিভাবক সহ শিক্ষকদের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। তবে একনিষ্ঠভাবে কাজ করতে হবে। মানব সমাজ উন্নততর করে গড়ে তুলতে শিক্ষা-ব্যবস্থাকে অন্যমাত্রা দিতে হবে। ভবিষ্যত প্রজন্মকে গড়ে তুলতে শিক্ষা-ক্ষেত্রের দৃষ্টিভঙ্গির বদল প্রয়োজন। আবার শিক্ষক, গবেষক,অভিভাবক ও পড়ুয়াদের মধ্যে দীর্ঘ ও ফলপ্রসূ সহযোগিতা দরকার। বাংলা সাহিত্য ও সৃজনশীলতা, সামাজিক সংস্কার এবং আধ্যাত্মিক জাগরণে পথ দেখিয়ে এসেছে।
পাশাপাশি বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনে প্রথম সারিতে ছিল। বঙ্গের এই পুণ্যভূমির ঐতিহ্য আজও অটুট। সেই দিগন্ত প্রসারিত হয়ে বিশ্বের দরজায় পা রেখেছে। তরুণ প্রজন্মকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলার প্রয়াস নেওয়া দরকার। পুঁথিগত বিদ্যার সীমা অতিক্রম করে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলার তাগিদ প্রয়োজন। প্রকৃত শিক্ষায় সমৃদ্ধ করে তোলা ও পরিপূর্ণ অভিজ্ঞতা আগামী প্রজন্মকে পেশাদার করে তুলতে সহায়তা করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন,শিক্ষার্থীদের শিকড় গভীর হওয়া প্রয়োজন। স্বাধীনতা ও সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গী শেখার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে হবে। অতিমারী মনুষ্য জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। পরস্পরের পাশাপাশি দাঁড়ানো থেকে শুরু করে আরও বড় ভূমিকা নেওয়া জরুরি হতে পারে। সেই মনোভাবই গড়ে দেবে আগামীর শিক্ষার অঙ্গন। (ছবি: সংগৃহীত)
(আপনার নিজস্ব মতামত প্রত্যাশা করি।)

